অচ্যুতর কথায় অচ্যুত

অচ্যুত দাসের জন্ম মালদহ জেলার ইংলিশবাজারে, ১৯৯১ সালের ২৮ ডিসেম্বর। বাবা অমল চন্দ্র দাস মালদহ পলিটেকনিকের জুনিয়র লেকচারার। মা প্রণতি দেবী গৃহবধূ। অচ্যুতর সাহিত্যপ্রীতিতে গভীর অবদান আছে তার বড় ভাই অমর্ত্যর। ছোটবেলায় দাদা বইয়ের দোকান থেকে গল্পের বই, কমিক্স কিনে আনলে তবেই ভাইয়ের পড়া হত নতুন-নতুন বাংলা বই। সেভাবেই পরিচয় সুকুমার থেকে শুরু করে শিবরাম, টিনটিন থেকে শুরু করে কাকাবাবুর সঙ্গে।

মালদহের রামকৃষ্ণ মিশন বিবেকানন্দ বিদ্যামন্দিরে উচ্চমাধ্যমিক অবধি রগড়ানোর পর বাকি রগড়ানি অচ্যুত সারেন কলকেতার যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে এসে। রসায়নের সঙ্গে সম্বন্ধ করে বিয়ে হয়েছিল। সোয়া তিনবছর তুমুল অশান্তি সহযোগে সংসার সামলানোর পর মিউচুয়ালি ডিভোর্সড। তার আগেই অবিশ্যি ইলোপ করেন লেখালিখির সঙ্গে। গিয়ে ওঠেন স্নেহপরায়ণ আনন্দবাজার পত্রিকার দপ্তরে। কালক্রমে ঠাঁই হয় ১৯ ২০ পত্রিকায়।

ছেলেবেলা থেকেই রসবোধ, থুড়ি… PJ-বোধ তীব্র অচ্যুত-র, যাকে তিলে-তিলে আরও বাড়িয়ে তুলেছেন তাঁর স্কুল-কলেজের বন্ধুবান্ধব, অফিসের সহকর্মীরা। আর-এক সহজাত বৈশিষ্ট্য হিসেবে তার আছে প্রাণ ঝালাপালা করা চুলকুনি। যার তাড়নায় সমস্ত রকম নিষিদ্ধ কাজে প্রবল উৎসাহ অচ্যুত-র। সেসব উপেক্ষা+ক্ষমাঘেন্না করে তাঁকে একটু-আট্টু লেখালিখি করার সু্যোগ দিয়েছেন আনন্দমেলা, ১৯ ২০, আনন্দলোক, সানন্দার মতো নামী পত্রিকারা। নিন্দুকেরা বলে, শ্রীমান অচ্যুত এযাবৎ সাতটি অশ্বডিম্ব প্রসব করেছেন। যাঁরা তাঁকে এট্টু-এট্টু পছন্দ করেন, তাঁদের শুধোলে জানা যায়, এযাবৎ সাতটি গল্প প্রকাশ পেয়েছে তাঁর। গত দু’বছর হল কিছু-কিছু প্রখ্যাত পুজোবার্ষিকীতেও কোনওক্রমে এক-দু’পাতা আঁচড় কাটার সু্যোগ পেয়েছেন।

নিজের নামের সঙ্গে যে কোনও শব্দের সন্ধি করার বদবুদ্ধি পেয়েছিলেন বাল(-লো)-বন্ধু জ্যোতিব্ধ আচার্যের কাছে। বাকিটা ইতিহাস (বইয়ের মলাটটুকু)। প্রিয় লেখক নিজে। প্রিয় লেখিকা শ্রীমতি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রিয় গায়ক তাহের শাহ। খেতে ভালবাসেন ল্যাদ।

লেখার নিন্দেমন্দ করার জন্য অচ্যুতকে ২৪x৭ মেল করা যায় এই মেইল আইডি-তে : achyutapapai@gmail.com

Advertisements